📢 নোটিশ: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৫ জুন থেকে | আগামী ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে সকল বিভাগে বিশেষ সেমিনার | গ্রীষ্মকালীন ছুটির নোটিশ শীঘ্রই প্রকাশিত হবে | নতুন গবেষণা কেন্দ্র 'ইনোভেশন হাব' চালু হয়েছে ক্যাম্পাসে 🎯

গড়ে তুলুন আপনার ভবিষ্যৎ

শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় — দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে আপনি পাবেন বিশ্বমানের শিক্ষা, অভিজ্ঞ ফ্যাকাল্টি ও আধুনিক ক্যাম্পাস। আমরা গড়ে তুলি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব।

🎓 ভর্তি হোন
১৫,০০০+
শিক্ষার্থী
৫০০+
ফ্যাকাল্টি
৩০+
বিভাগ
৯৫%
চাকরির হার

আমাদের সম্পর্কে

জেনে নিন শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে শিক্ষাবিস্তারের লক্ষ্যে আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে আমরা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছি।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যেখানে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটে। বর্তমানে আমরা ৩০টিরও বেশি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করছি। আমাদের ক্যাম্পাসে রয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, গবেষণা কেন্দ্র ও আবাসিক হল।

আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন। আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষা শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বরং এটি মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশ ঘটায়। আমাদের পাঠ্যক্রম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।

শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ ফ্যাকাল্টি সদস্যরা বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তারা প্রতিনিয়ত গবেষণা ও শিক্ষাদানের মাধ্যমে জ্ঞানের সীমানা বিস্তৃত করছেন। আমাদের গবেষণা কেন্দ্রগুলো দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে কাজ করছে।

আমাদের মিশন হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে তৈরি করা যেন তারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখুক এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিক।

প্রতি বছর শত শত শিক্ষার্থী আমাদের ক্যাম্পাস থেকে পাস করে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আমরা বিশ্বাস করি জ্ঞানই শক্তি, আর এই শক্তিই পারে একটি জাতিকে বদলে দিতে। শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় সেই শক্তি সঞ্চারের পথপ্রদর্শক। আমাদের ক্যাম্পাসের পরিবেশ, শিক্ষার মান ও সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক। আমরা গর্বিত আমাদের ঐতিহ্য ও অর্জন নিয়ে।

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও সেবার মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলি একটি উন্নত আগামী।

আমাদের বিভাগসমূহ

আমাদের ৩০টিরও বেশি বিভাগে বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ

💻

কম্পিউটার বিজ্ঞান

৪৫ জন ফ্যাকাল্টি

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগটি আধুনিক কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়। এখানে শিক্ষার্থীরা অত্যাধুনিক ল্যাবে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ পায়। আমাদের গবেষণা দল এআই ও ডেটা সায়েন্স নিয়ে কাজ করছে।

বিস্তারিত →
🏢

ব্যবসায় প্রশাসন

৩৮ জন ফ্যাকাল্টি

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগটি ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দেয়। শিক্ষার্থীরা কেস স্টাডি, ইন্টার্নশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি প্রজেক্টের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে। আমাদের স্নাতকরা দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

বিস্তারিত →
⚙️

প্রকৌশল

৫২ জন ফ্যাকাল্টি

প্রকৌশল বিভাগে সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর পাঠদান করা হয়। এখানে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ল্যাবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। আমাদের গবেষণা দল নবায়নযোগ্য শক্তি ও টেকসই অবকাঠামো নিয়ে কাজ করছে।

বিস্তারিত →
🏥

চিকিৎসা

৬০ জন ফ্যাকাল্টি

চিকিৎসা বিভাগটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিভাগ। এখানে এমবিবিএস, বিডিএস এবং নার্সিং প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজস্ব হাসপাতালে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেয়। মেডিকেল রিসার্চ সেন্টার বিভিন্ন রোগ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করছে।

বিস্তারিত →
⚖️

আইন

২৮ জন ফ্যাকাল্টি

আইন বিভাগটি এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি প্রদান করে। এখানে শিক্ষার্থীরা সংবিধান, ফৌজদারি আইন, দেওয়ানি আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর গভীর জ্ঞান অর্জন করে। মক কোর্ট প্রতিযোগিতা ও লিগ্যাল এইড ক্লিনিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়ায়।

বিস্তারিত →
📚

বাংলা সাহিত্য

২৫ জন ফ্যাকাল্টি

বাংলা সাহিত্য বিভাগটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা ও গবেষণায় নিবেদিত। এখানে প্রাচীন ও আধুনিক বাংলা সাহিত্য, লোকসাহিত্য, ভাষাতত্ত্ব ও প্রবন্ধ-গবেষণার ওপর পাঠদান করা হয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিস্তারিত →

ভর্তি তথ্য

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য প্রক্রিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আবেদন ফর্ম পূরণ

অনলাইনে ফর্ম পূরণ করে জমা দিন

ভর্তি পরীক্ষা

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিন

মৌখিক পরীক্ষা

ভাইভা বোর্ডের কাছে সাক্ষাৎকার দিন

ফলাফল

চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ

বিবরণ তারিখ
আবেদন শুরু ১৫ জুন, ২০২৬
শেষ তারিখ ৩১ জুলাই, ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ২০ আগস্ট, ২০২৬
মৌখিক পরীক্ষা ৫-১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ক্লাস শুরু ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

📋 ভর্তির প্রয়োজনীয়তা

  • স্নাতক প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ (এসএসসি ও এইচএসসি উভয় ক্ষেত্রেই) অথবা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত ও বিজ্ঞানে ভালো নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক।
  • স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে এবং ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ থাকতে হবে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ (আইইএলটিএস ৬.০ বা সমমান) প্রয়োজন।
  • মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। বৃত্তি পাওয়ার জন্য ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষ ৫%-এ থাকতে হবে এবং পূর্ববর্তী শিক্ষাগত ফলাফল চমৎকার হতে হবে।
  • আবেদনের সময় নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে: শিক্ষাগত সনদপত্র ও মার্কশিটের সত্যায়িত কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, এবং ট্রান্সক্রিপ্ট। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ও পাসপোর্ট কপি প্রয়োজন।

আমাদের ফ্যাকাল্টি

দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদরা আমাদের গর্ব

👨‍🏫

ড. আব্দুর রহিম

উপাচার্য
পিএইচডি, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
ড. আব্দুর রহিম অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পর দেশে ফিরে শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র হলো উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষানীতি। তিনি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
👩‍🏫

ড. ফাতিমা ইসলাম

ডীন, সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
পিএইচডি, এমআইটি
ড. ফাতিমা ইসলাম এমআইটি থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ন্যানোটেকনোলজি ও কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হতে উদ্বুদ্ধ করেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন।
👨‍🏫

ড. করিম হাসান

অধ্যাপক, আইন বিভাগ
পিএইচডি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
ড. করিম হাসান হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আন্তর্জাতিক আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আদালতে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর বিশেষ আগ্রহের বিষয় হলো মানবাধিকার আইন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন ও সংবিধান। তিনি মক কোর্ট দলের উপদেষ্টা হিসেবে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে সাহায্য করেন।
👩‍🏫

ড. নাজমা আক্তার

সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি
পিএইচডি, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
ড. নাজমা আক্তার টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উন্নয়ন অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় হলো গ্রামীণ অর্থনীতি, মাইক্রোফাইন্যান্স ও নারীর ক্ষমতায়ন। তিনি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর পাঠদান পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শিক্ষার্থীরা তাঁর ক্লাসরুমে বাস্তব জীবনের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

ক্যাম্পাস গ্যালারি

আমাদের আধুনিক ক্যাম্পাসের কিছু দৃশ্য

সংবাদ ও ইভেন্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও ঘোষণা

📅 ১৫ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০২৬

শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে গবেষকরা অংশ নেবেন। সম্মেলনের মূল বিষয় হলো 'টেকসই উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ভূমিকা'। এই সম্মেলনে দেশি-বিদেশি ২০০ জনেরও বেশি গবেষক তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন। সম্মেলনের জন্য নিবন্ধন শুরু হয়েছে এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশেষ আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে।

📅 ১০ এপ্রিল, ২০২৬

নতুন গবেষণা কেন্দ্র উদ্বোধন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্স নিয়ে গবেষণার জন্য শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন 'ইনোভেশন হাব' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রে উন্নত কম্পিউটিং সুবিধা ও গবেষণা ল্যাব রয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখানে এআই, মেশিন লার্নিং ও বিগ ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।

📅 ২৫ মার্চ, ২০২৬

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতায় ৩০টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। অ্যাথলেটিক্স, ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল ও ব্যাডমিন্টনসহ মোট ১২টি ইভেন্ট ছিল। বিজয়ীদের উপাচার্য মহোদয় নিজ হাতে পুরস্কার তুলে দেন। ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধিত হয়।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী

আমাদের গর্বিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্প

👨‍💼
শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শুধু ডিগ্রি দেয়নি, দিয়েছে জীবনকে দেখার একটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। এখানকার শিক্ষকরা সবসময় আমার পাশে ছিলেন। তাদের অনুপ্রেরণা এবং নির্দেশনাই আমাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। আমি গর্বিত যে আমি শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম।
আতিকুর রহমান
সিইও, টেকসোল আইটি লিমিটেড
👩‍⚕️
চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে। এখানে পড়ার সময় হাসপাতালে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ আমাকে বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করেছে। এখন আমি একজন সফল সার্জন হিসেবে কাজ করছি এবং প্রতিদিন আমার শিক্ষকদের দেওয়া শিক্ষা মনে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল বিভাগ থেকে পাস করার পর আমি দেশের বাইরেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।
ডা. আরিফা জামান
সিনিয়র সার্জন, স্কয়ার হাসপাতাল
👨‍🔬
গবেষণার জগতে পা রাখা শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব থেকেই। এখানে শিক্ষকরা আমাদের গবেষণার প্রতি উৎসাহিত করতেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতেন। আমি এখন আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি এবং নিয়মিত আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করছি। শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব ও রিসোর্স আমার ক্যারিয়ার গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মোহাম্মদ আলী
গবেষক, নাসা জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি